বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদনে চিকিৎসার কথা বলা হলেও বিদেশে নেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। তা নিয়ে চলছে কানাঘুষা। তার আইনজীবীর ব্যাখ্যা, চিকিৎসা দেশেও হতে পারে বিদেশেও হতে পারে সে কারণে বিদেশ শব্দটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এদিকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসা সুযোগ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলে দলটির সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের আবেদনে দ্বিতীয় দফায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। তবে সে আবেদনে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানি, উনারা এইবার যে পত্র দিয়েছেন তাতে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতির কোন কিছু উল্লেখ করেন নাই।

যদিও সভা-সেমিনার এবং ভার্চুয়াল আলোচনায় বেগম জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন বিএনপি নেতারা। পরিবারের আবেদন ও দলের এজেন্ডার মধ্যে এমন সমন্বয়হীনতা নিয়ে তাই শুরু হয়েছে কানাঘুষা। অনেকে বলছেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। বিদেশ নেয়ার আবেদন করলে পরিস্থিতি ভিন্নও হতে পারত।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, না চাইলেও দেশে চিকিৎসার শর্ত দিয়ে অমানবিক কাজ করেছে সরকার।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আমরা আশা করছিলাম যে, সরকার উনাকে বিদেশি যাওয়ার অনুমতি দেবে। সরকার উনাকে চিকিৎসার জন্য সুযোগ দিয়েছে, মুক্তি দিয়েছে, এজন্য ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু বিদেশি চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ায় একটু অমানবিক হয়ে গেছে বলে মনে করি।

সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ায় সাময়িক স্ব’স্তি মিললেও তার চিকিৎসা নিয়ে ভাবাচ্ছে দলকে। এ অবস্থায় বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলে জানিয়ে দলটির একটি সূত্র।

By mk tr

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *