Breaking News
Home / কাতার / কাতারে হঠাৎ কোনো প্রবাসীর মৃত্যু হলে প্রথমে যা করনীয় জেনে নিন

কাতারে হঠাৎ কোনো প্রবাসীর মৃত্যু হলে প্রথমে যা করনীয় জেনে নিন

অ’সুস্থতা কিংবা দু’র্ঘট’নায় প্রবাসে যে কোনো প্রবাসীর মৃ’ত্যু হতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক অবস্থায় হৃদয’ন্ত্রের ক্রি’য়া বন্ধ হয়ে মৃ’ত্যুবরণ করার ঘটনাও ঘটে থাকে আমাদের আশেপাশে। মৃ’ত্যু নামক এই অ’লঙ্ঘ’নীয় বিধান থেকে মু’ক্তি নেই আমাদের কারোর। তাই কাতারে কোনো প্রবাসী বাংলাদেশির মৃ’ত্যু হলে কী করণীয়, সেটি জেনে রাখুন এই লেখায়। কাতারে অ’সুস্থ হয়ে যারা হাসপাতালে মৃ’ত্যুব’রণ করেন, তাদের মৃ’ত্যু সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরণের সহায়তা দিয়ে থাকে।

ফলে এক্ষেত্রে মৃ’ত ব্যক্তির বন্ধু বা স্বজনদের ভো’গান্তি বা দু’শ্চিন্তার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে হাসপাতালের বাইরে সড়কে বা রুমে যে কোনো অবস্থায় কারো মৃ’ত্যু হলে তাঁর বেলায় কী করণীয়, সেটি সবার জেনে রাখা উচিত। কাতারের হামাদ কেন্দ্রীয় হাসপাতালে মৃ’ত্যু সম্পর্কিত মানবিক সেবার জন্য একটি বিশেষ অফিস রয়েছে। এই অফিস থেকে মৃ’ত ব্যক্তির লা’শ গ্রহণ ও দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব সেবা একইসঙ্গে পাওয়া যায়। ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে দৌড়াদৌড়ির কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

এই মানবিক সেবা অফিস থেকে একইসঙ্গে একই সময়ে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কাতার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কাতার জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, হামাদ মেডিকেল কর্পোরেশন, হাসপাতাল এবং কাতার এয়ারওয়েজের সেবা নেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে মৃ’তব্যক্তির লা’শ গ্রহণের বেলায় মৃ’ত ব্যক্তির মৃ’ত্যুসনদ ও পুলিশ প্রত্যয়নপত্র লাগবে। পাশাপাশি মৃ’ত ব্যক্তির পাসপোর্ট এবং লা’শ গ্রহণকারী ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে। কাতারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস মৃ’ত ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরণের সেবা দিয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটির দিনসহ যে কোনো সময়ে ২৪ ঘন্টা এ সম্পর্কিত সেবা গ্রহণ করা যাবে। দূতাবাস থেকে সেবা নিতে হলে মৃ’ত ব্যক্তির ডে’থ সার্টিফিকেট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেখাতে হয়। এরপর দূতাবাস থেকে অ’নাপত্তি পত্র ইস্যু করা হয়। এর জন্য কোনো ধরণের ফি দিতে হয় না। তবে মনে রাখবেন, মৃ’ত প্রবাসী কর্মী যে কোম্পানিতে কাজ করতেন, ওই কোম্পানি যদি তাঁর লা’শ দেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় খরচ যোগান দিতে অ’ক্ষ’ম হয়, অথবা কোনো কারণে যদি মৃ’ত ব্যক্তির কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বা স্পন্সর অথবা কফিলকে খুঁ’জে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে দূতাবাস বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে অনুরোধক্রমে বিনামূল্যে ওই কর্মীর লা’শ পরিবহনের ব্যবস্থা করে থাকে।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে মৃ’ত প্রবাসী কর্মীর লা’শ গ্রহণের সময় দূতাবাস থেকে দেওয়া অ’নাপত্তি পত্র দেখাতে হয়। এর পাশাপাশি মৃ’ত ব্যক্তির লা’শ গ্রহণকারীদের জন্য ইস্যুকৃত স্থানীয় পৌরমেয়র বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দেওয়া উত্তরাধিকারী সনদ দেখাতে হয়। এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রবাসী কর্মীর লা’শ পরিবহন ও দাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। এসবের পাশাপাশি কোনো কর্মী যদি দু’র্ঘটনা’ব’শত বা কর্মস্থলে কাজ করার সময় দু’র্ঘটনা’য় মৃ’ত্যুবরণ করেন, সেক্ষেত্রে মৃ’ত প্রবাসীর কর্মীর পক্ষ হয়ে কাতারে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দূতাবাস বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে থাকে।

About mk tr

Check Also

কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের ঘাটতি, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা নিয়ে সং’কটে ব্যবসায়ীরা

কাতারে বিদেশি শ্রমিকদের ঘাটতি, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা নিয়ে সংক’টে ব্যবসায়ীরা মহামা’রি কাতারের রেস্তোরাঁগুলোর ব্যবসা পুরোপুরি পাল্টে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *