Breaking News
Home / সারা দেশ / একসঙ্গে দুই ফাঁ’সির আসামীকে পাশাপাশি কবরে রাখতেই যা ঘটল

একসঙ্গে দুই ফাঁ’সির আসামীকে পাশাপাশি কবরে রাখতেই যা ঘটল

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার আলোচিত ধ’র্ষ’ণ ও হ’ত্যা’র ঘটনায় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত দুজনের ফাঁ’সি কার্যকরের পর মিন্টু ও আজিজের দা’ফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (০৫ অক্টোবর) ফজরের নামাজের পর নিজ গ্রাম রায়লক্ষ্মীপুরে জা’নাজা শেষে পাশাপাশি কবরে তাদের দা’ফন করা হয়।

দাফ’নের বিষয়টি ঢা’কা পো’স্টকে নিশ্চিত করেছেন খাসকররা ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাবানা খাতুন। তাদের জা’নাজায় এলাকার অসংখ্য মানুষ অংশ নেয়।

তবে দাফনের আগ মু’হূর্তে বৃষ্টি হওয়ায় দাফনকাজে বি’ঘ্ন সৃষ্টি হয়। এর আগে রাত ৩টার দিকে দুটি অ্যাম্বুলেন্সযোগে যশোর থেকে দুজনের ম’রদে’হ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামে নিয়ে আসা হয়।

এ সময় দুই পরিবারের সদস্যরা কান্না’য় ভে’ঙে পড়েন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দাফন হওয়ায় কথা থাকলেও মিন্টু ও আজিজের শেষ ইচ্ছা অনুয়াযী ভোরেই তাদের দাফন সম্পন্ন করেছে পরিবার।

স্থানীয়রা জানায়, আজিজুলের মামাতো ভাই ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জা’নাজার নামাজে ইমামতি করেন।

সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের গো’রস্তা’নে পাশাপাশি কবরে তাদের দাফন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে লা’শ কবরে নামানোর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় মুষলধা’রে বৃষ্টি। এ কারণে দা’ফনকাজে কিছুটা বিল’ম্ব ও বি’ঘ্ন ঘটে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলার জোড়গাছা গ্রামের দুই নারীকে রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঠে হ’ত্যা’ করা হয়। তারা দুজন বান্ধবী ছিলেন। হ’ত্যা’র আগে তাদের দুজনকে ধ’র্ষ’ণ করা হয় বলে পুলিশের ত’দন্ত প্রতিবেদনে উ’ল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বা’সরো’ধে মৃ’ত্যু নিশ্চিত করতে ওই দুই নারীর গ’লা কা’টা হয়। এ ঘটনায় নি’হত এক নারীর মেয়ে বা’দী’ হয়ে পরদিন আলমডাঙ্গা থানায় হ’ত্যা’ মা’ম’লা করেন। মা’মলা’য় দ’ণ্ডপ্রা’প্ত ওই দুজনসহ চারজনকে আসা’মি করা হয়।

অপর দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি। মা’মলা বি’চারা’ধীন অবস্থায় আ’সামি মহি মা’রা যান। ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই এই মামলায় চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নি’র্যা’ত’ন দ’ম’ন ট্রাইব্যুনাল সুজন, আজিজ ও কালুকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দেন।

এরপর আ’সামি পক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করে। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসা’মিদের আ’পিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় বহাল রাখেন। ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আ’দালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আ’সামির রায় বহাল রাখেন এবং অপর আ’সামি সুজনকে বেকসুর খা’লাস দেন। ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগার থেকে মু’ক্তি পান খালা’সপ্রা’প্ত সুজন।

পরে মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্ত আজিজ ও কালু রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভি’ক্ষা চান, কিন্তু তা না’মঞ্জুর হয়। সোমবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগারে তাদের ফাঁ’সি কার্য’কর করা হয়।

About mk tr

Check Also

ওরা যদি আমার ছেলেকে গু;লি করে মারত তাহলে ওর এত কষ্ট হতো না: আবরারের মা

রোববার নি;হ;ত বুয়েট (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্র আবরার ফাহাদ হ;;ত্যা মামলার রায় ঘোষণা হবে। আগামীকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *